ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম বলেছেন, যারা আবার চাপাতির রাজনীতি শুরু করতে চায়, চাপাতি দিয়ে পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করার রাজনীতি করতে চায় তাদের ছাত্রসমাজ লাল কার্ড দেখাবে। তারা প্রকাশ্যে রাজনীতি বলতে চাপাতি দিয়ে কোপানোকে বুঝে।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রশিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হওয়ার দাবি করা হয়। সংঘর্ষে আশরাফুল ইসলাম নামে শিবিরের এক নেতার পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে ছাত্রদল। এমনটাই অভিযোগ শিবিরের। সেটির প্রতিবাদে ও আহতদের দেখতে চট্টগ্রামে আসেন সাদিক কায়েম।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছাত্রদল নতুন করে কোনো বয়ান তৈরি করতে পারেনি। আগের যে ফ্যাসিবাদের বয়ান, সেটি তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই বয়ান দিয়ে তারা রাজনীতি করতে পারবে না। চাপাতি দিয়ে পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করার রাজনীতি আমরা করতে দেব না।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, গুপ্ত লেখার জন্য সংঘর্ষ হয়নি, বরং সেই গুপ্ত লেখাকে এনজয় করে সিটি কলেজের শিবির পোস্ট দিয়েছে। আমরা বরং তাদের মতামতকে স্বাগত জানিয়েছি। কিন্তু তারা এটিকে ইস্যু করে আমাদের ওপর হামলা করেছে। বহিরাগত নিয়ে রামদা-চাপাতি দিয়ে কোপানো। পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া সেটি আমরা দেখতে পেয়েছি। তারা প্রকাশ্যে রাজনীতি বলতে চাপাতি দিয়ে কোপানোকে বুঝে। কুয়েত, ময়মনসিংহ মেডিকেল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক ক্যাম্পাসে বহিরাগত নিয়ে এসে হামলা করেছে।
তিনি বলেন, প্রকাশ্যে রাজনীতির মানে আপনি ক্যাম্পাসে চাপাতি নিয়ে ঘুরবেন, রামদা নিয়ে ঘুরবেন হকিস্টিক নিয়ে ঘুরবেন সেটিকে বুঝেন। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে দায়মুক্তি পাবেন, এটি কিন্তু হবে না। ছাত্রলীগ এই ধরনের হেলমেট পড়ে, চাপাতি নিয়ে রাজনীতি করেছিল। কিন্তু তারা রেহায় পায়নি।
শিবিরের ৩০ জন আহত হওয়ার দাবি করে সাদিক কায়েম বলেন, আমরা কমিশনারকে জানিয়েছি। তারা এই বিষয়ে জিরো টলারেন্স বলেছেন। আমরা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এআরবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


সংঘর্ষে পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন ছাত্র শিবির কর্মীর