আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত বৃদ্ধির পর নিহত হওয়া চার মার্কিন সেনাসদস্যের নাম যুদ্ধের সরকারি হতাহতের তালিকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে পেন্টাগন।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত এই চার সেনাকে মূল তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অন্য একটি শ্রেণিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
পূর্বে পেন্টাগনের সামরিক কর্মকর্তারা সংঘাতের হতাহতের প্রধান তথ্যসূত্র হিসেবে ‘ডিফেন্স কজুয়ালটি অ্যানালিসিস সিস্টেম’-এর তথ্য উল্লেখ করতেন। তবে গত সপ্তাহে ওই ব্যবস্থার মূল তালিকা থেকে নিহত এই চার সেনা এবং আহত একাধিক সেনাসদস্যের নাম বাদ দেওয়া হয়।
এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগনের এই সংক্রান্ত নথিপত্র এখন ‘বিদেশি অভিযান’ নামের নতুন এক শিরোনামে দেখা যাচ্ছে। নতুন এই তালিকায় নিহত চার সেনাসদস্যের নাম এবং ২০৭ জন আহত সেনার তথ্য রয়েছে। তবে তালিকায় থাকা আহতদের সবাই সরাসরি ইরান যুদ্ধে আঘাত পেয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হতাহতের সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে পেন্টাগনের প্রেস সচিব জোয়েল ভালদেজ গত বৃহস্পতিবার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, উপাত্তের এই হ্রাস মূলত ‘ত্রুটি’ ও ‘সাময়িক তথ্যগত বিঘ্নে’র কারণে ঘটেছে। খুব দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা যুদ্ধকৌশল ও হতাহত সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে তাদের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার মাঝেই তালিকায় এই পরিবর্তন আনা হলো।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন মে মাসের শুরু থেকে যুদ্ধের ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করেনি। একই সঙ্গে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সাংবাদিকদের নিয়মিত হতাহতের তথ্য দেওয়া বন্ধ রেখেছে।
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

