ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ফাতেমা বেগম নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদীর ট্রেন লাইনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়। রেলওয়ে থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। ফাতেমা বেগম চুমুরদী ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেন ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী এলাকায় পৌঁছালে ফাতেমা বেগম অসাবধানবশত ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা, রেলওয়ে পুলিশ ও থানার পুলিশ ঘটনস্থলে পৌঁছায়। পরে তারা নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গার মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুর উপজেলার কোয়েলদিয়া গ্রামের ইসরাফিল শিকদারের প্রবাসী ছেলে সাইফুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। ছুটিতে এসে বিয়ের পর ফের বিদেশে চলে যায় সাইফুল ইসলাম। স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন ফাতেমা বেগম।
কয়েক দিন আগে ছুটিতে পুনরায় দেশে ফিরেন স্বামী সাইফুল ইসলাম। ঘটনার দিন (মঙ্গলবার ) সকালে বাসা ভাড়া করে থাকার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হলে স্বামীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন গৃহবধূ ফাতেমা। কিছু সময় পরে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রবাসী সাইফুলের স্ত্রীর মৃত্যুর খবর গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সেখানে একটি শোকের ছায়া নেমে আসে।
রেলওয়ে পুলিশের এসআই সাইফুর রহমান জানান, পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে ফাতেমা আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। আইনের প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

