ঝক্কি ঝামেলা, দুর্ভোগ, যানজট, রোদ-বৃষ্টি, প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে নাড়ির টানে গাজীপুর ছেড়ে যাচ্ছেন লাখো মানুষ। এবারও ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকরা ১০ দিনেরও বেশি ছুটি পেয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে ছুটছেন গ্রামে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে। সড়কে যানজট না থাকলেও গাড়ি চলছে ধীরগতিতে।
জানা গেছে, গাজীপুরের দুই হাজারেরও বেশি কারখানা আজ দুপুরের মধ্যে ছুটি হয়ে গেছে। এর আগে ধাপে ধাপে তিন দিন এসব কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার বিকেলে যেসব কারখানা ছুটি হয়েছে সেসব কারখানার শ্রমিকরা বৃহস্পতিবার ভোর থেকে গ্রামে রওনা দিয়েছেন। এতে মহাসড়কে যাত্রীচাপ বাড়তে থাকে। মহাসড়কে যাত্রী ও যানবাহনের জটলাও বেড়েছে। ট্রাক ও পিকআপে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন অনেকে।
আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত গাজীপুরের টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত গাজীপুরমুখী লেনে গাড়ির প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। যানবাহন চলছে ধীরগতিতে। অনেক সময় যানবাহনের সারি দীর্ঘ হচ্ছে বলে জানায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চন্দ্রা মোড় এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। উত্তরাঞ্চলের যাত্রীরা সকাল থেকে চন্দ্রা মোড়ে ভিড় করেন। এতে যানবাহন আর যাত্রীদের চাপে জটলা তৈরি হয়। চন্দ্র মোড় থেকে মৌচাক পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার এলাকায় হালকা যানজট সৃষ্টি হয়। এসময় যানবাহন খুবই ধীরগতিতে চলছিল।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

