মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ভারতে অকাল প্রয়াত হওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার।
সোমবার সকাল ৭টায় গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আব্দুল্লাহপুর গ্রামে তার শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ওই গ্রামেই তার নানির বাগানবাড়ির আঙিনায় তাকে সমাহিত করা হয়।
তিনি জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার দম্পতির কন্যা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় রোববার রাতের সব আনুষ্ঠানিকতা ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাতেই কারিনার মরদেহ নিয়ে আসা হয় গজারিয়ায়। তার নানা বাড়ি পুরান বাউশিয়া গ্রামে হলেও নানি ডা. জোহরা খানম পারুলের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাগানবাড়িতে লাশ রাখা হয় এবং সেখানেই দাফনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। প্রিয় তারকা ও এলাকার নাতনিকে শেষ বিদায় জানাতে স্থানীয়ভাবে মাইকিংও করা হয়েছিল।
সোমবার সকালের জানাজায় স্থানীয় লোকজন অংশ নেন। তবে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আবহে সম্পন্ন করা হয়। সেখানে মোবাইল বা ক্যামেরা নিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়।
দাফন শেষে প্রয়াত কারিনা কায়সারের ছোট ভাই সাদাত হামিদ গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ঢাকায় তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা ছিলেন। তবে দাফনের সময় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো মিডিয়াকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমরা মূলত প্রচার ও অতিরিক্ত লোকসমাগম থেকে কিছুটা আড়ালে থাকার জন্যই গ্রামে এসেছি। আশা করি আপনারা আমাদের মানসিক অবস্থা ও বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন লিভারজনিত জটিলতায় গত শুক্রবার ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কারিনা। রোববার বিকেলে বিমানযোগে তার লাশ ঢাকায় পৌঁছালে পিতা কায়সার হামিদসহ স্বজনরা অশ্রুসিক্ত নয়নে লাশ গ্রহণ করেন। এরপর ঢাকায় জানাজা ও শহীদ মিনারের আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাশ গজারিয়ায় আনা হয়।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

