গোপালগঞ্জে ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত রোববার রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে শিক্ষক মিরাজ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক মিরাজ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়ন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষক। তবে তিনি ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান।
সোমবার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ওই শিক্ষার্থীর জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে গোপালগঞ্জ সদর কোর্টের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা রোজী ২২ ধারায় স্কুলছাত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। মামলার পর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে রোববার দুপুরে শিক্ষক মিরাজ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া এ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছেন স্কুল ম্যানেজিং (অ্যাডহক) কমিটির সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে মিরাজ দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করব।
অভিযুক্ত শিক্ষক মিরাজ ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ছাত্রীর কানের কাছে মুখ নিয়ে হ্যাপি বার্থডে বলি। ২০১৯ সালেও এক ছাত্রীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিই। তখন প্রতিপক্ষ আমাকে হয়রানির জন্য ভুক্তভোগী পরিবারকে দিয়ে মামলা দিয়েছিল। তখন আমি প্রায় এক মাস জেলে ছিলাম।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

