টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় চার কোটি ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ৭১৮ টাকার সেতু উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ফাটল দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সৈদামপুর বাজারে সেতুর সংযোগ সড়কে বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ফাটলের মাত্রাও। আরো কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হলে সংযোগ সড়ক ধসে পড়বে।
উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাছেদ প্রকৌশলী সৈদামপুর বাজার-কুরাতলী ভায়া প্রাইমারি স্কুল সড়কে প্রায় ৭০ মিটার দৈর্ঘ্য আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে। সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল। পরে মেয়াদ বাড়ানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা লুৎফর রহমান বলেন, এই রাস্তায় যখন মাটি ফেলা হয় তখন তেমন পেটানো হয় নাই। রোলার দিয়ে ভালো করে পেটানো হলে ফাটল ধরতো না। হালকা পেটানো দিয়েই কার্পেটিং করা হয়েছে। যার কারণেই ফাটল ধরেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ননী গোপাল সরকার বলেন, রাস্তার কাজ দেড় থেকে দুই মাসেই ফাটল ধরেছে। যদি বৃষ্টি হয় এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যাবে না। রাস্তা ধসে যাবে। যদি ভালোভাবে কাজ করতো এমনটা হতো না।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বাছেদ প্রকৌশলীর ম্যানেজার নুর নবী বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে আমরা ব্লক নিয়ে যেতে পারিনি। বৃষ্টির কারণে ব্লকের কাজ শেষ করতে পারিনি। ব্রিজের সংযোগ রাস্তায় ঈদের আগে কার্পেটিং করা হয়। নতুন মাটিতে কার্পেটিং করা হয়েছে। ব্রিজের অতিরিক্ত বৃষ্টি ও বোঝাই ট্যাফিক গাড়ি রাস্তা দিয়ে চলাচল করায় রাস্তার কিছু অংশ ফাটল দেখা দিয়েছে। যেখান দিয়ে ফাটল দেখা দিয়েছে তা মেরামত করে দেওয়া হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেন, ব্রিজের সংযোগ সড়কে কিছু অংশে ব্লক বসানো হয়নি। অতিরিক্ত বৃষ্টি ও ভারী যানবাহন চলাচল করায় কিছু কিছু জায়গায় মাটি সরে গেছে। ব্রিজের কাজ করছে বাছেদ প্রকৌশলী। তাদের সাথে কথা হয়েছে, তারা ভাঙন জায়গা ঠিক করে দিবে। ব্রিজের সংযোগ সড়কের কাজের এখন পর্যন্ত টাকা প্রদান করা হয়নি। যে জায়গাগুলোতে সমস্যা হয়েছে, তারা মেরামত করে দিবে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

