নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সম্প্রতি ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। রাত নামলেই আতঙ্কে থাকেন এলাকাবাসী। কয়েক দিন আগেও এক রাতে চার বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। এ কারণে স্থানীয়রা ডাকাতি প্রতিরোধে সক্রিয় হয়েছে উঠেছেন। শুক্রবার রাতে জনগণের হাতে এক ডাকাত ধরা পড়ে। পরে গণপিটুনিতে তার মৃত্যু হয়।
এদিন দিবাগত রাত দেড়টায় উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের জোকারদিয়া এলাকার চকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুকুল (৪৫) ডাকাত ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কাবিল মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে জোকারদিয়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে সাদিকুল ইসলামের (৪০) সেচ পাম্পের উত্তর পাশের চকে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয় ডাকাতরা। এ সময় টের পেয়ে স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করে। তখন ডাকাতির কথা মাইকে ঘোষণা দিলে শত শত লোক জড়ো হয়। এরপর ধাওয়া দিয়ে ডাকাত মুকুলকে ধরে ফেলে তারা। একপর্যায়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তাকে।
এ সময় মুকুলের সহযোগী ৬-৭ জন ডাকাত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানার ওসি এনায়েত হোসেন পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন।
এলাকাবাসী জানান, মুকুল ডাকাতের অত্যাচারে তারা অতিষ্ঠ ছিল। রাতে ডাকাতি আর দিনে চাঁদাবাজি করত সে। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলত না।
ওসি এনায়েত হোসেন বলেন, মুকুল তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।
/এফ/
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

