চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নে সংঘটিত হামলায় গুরুতর আহত ইউনিয়ন আমির মো. মফিজুর রহমানকে দেখতে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি রাজধানীর কাকরাইলে অরোরা হাসপাতালে গিয়ে আহত নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, ঢাকার পল্টন থানা আমিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।
জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ ওঠে। হামলাকারীরা রড, চাইনিজ কুড়াল ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতা-কর্মীর ওপর এলোপাতাড়ি আক্রমণ চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন।
হামলায় বাঁকা ইউনিয়ন আমির মো. মফিজুর রহমানের বড় ভাই মো. হাফিজুর রহমান (৫৫) নিহত হন। এছাড়াও ইউনিয়ন আমিরসহ আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকায় রেফার করা হয়।
বর্তমানে কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে মো. মফিজুর রহমান আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।
এ সময় নেতৃবৃন্দ এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করেন। পাশাপাশি নিহত মো. হাফিজুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

