চুয়াডাঙ্গার ভালাইপুর-আসমানখালী সড়কে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে পালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস ভালাইপুর বাজারের একটি দোকানে ঢুকে পড়ে, এতে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
রোববার (১০ মে) বেলা ৩টার সময় হাটবোয়ালিয়া টু চুয়াডাঙ্গা তাজিম পরিবহনের একটি লোকাল যাত্রীবাহী বাস ভালাইপুর-আসমানখালী সড়কের খাদিমপুর মোড়ের অদূরে ফজলু নামের এক ব্যক্তিকে চাপা দেয়। এরপর দ্রুত পালাতে গিয়ে বাসটি ভালাইপুর মোড়ে একটি দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাডিয়া এলাকার তৈয়ব আলীর ছেলে শাহাদাত হোসেন (২২) আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগামী বাসটি এসে দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে এবং মোটরসাইকেল মেরামতের জন্য ওই দোকানে অবস্থান করেছিলেন শাহাদত হোসেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরবর্তীকালে উচ্ছুক জনতা বাসটিকে আটকে রাখে এবং চালক ও হেলপার পালিয়ে যান। পরে পুলিশ এসে বাসটি আটক করে।
ওদিকে এ ঘটনায় আহত ভালাইপুর এলাকার আবদার মল্লিকের ছেলে ফজলু মল্লিককে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
এ ঘটনায় আরো একজন আহত হয়েছেন। এ সময় তার আত্মীয়স্বজন জানান, তিনি মাঠে গরু নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি সড়কের ওপর অবস্থান করায় এ সময় দ্রুতগামী বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তার শরীরে বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোর্শেদা জাহান বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং তিনি ব্যস্ততার অজুহাত দেখান। বক্তব্য দেওয়ার দায়িত্ব তার নয় বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমারকে এ বিষয়ে জানানো হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় তাজিম পরিবহনের ওই বাসটিকে আটক করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ড্রাইভার বা হেলপার কাউকে আটক করা যায়নি। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

