আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিচারকার্য দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগিতা করা দরকার তা করা হবে। তবে সারা দেশে বিচারক ও আইনজীবী সংকটের কারণে অনেক সময় বিচারকার্য দীর্ঘ হয়ে থাকে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইন মন্ত্রণালয় থেকে আদালত নিয়ন্ত্রণ করা হয়—এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর এমন বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, উনি (হাসনাত আব্দুল্লাহ) যা বলেছেন, তা আদালত অবমাননার শামিল। বিচারক ও বিচারকার্য সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচারকেরা স্বাধীনভাবে কাজ করছেন বলেই তাদের (এনসিপি) নেতারা মামলায় গ্রেপ্তারের পরদিনই জামিন পেয়েছেন।
বাংলাদেশের বিচারকেরা অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন দাবি করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মামলাজট রয়েছে। কারণ, আমাদের বিচারকের সংকট আছে। একই সঙ্গে আইনজীবীর সংখ্যাও কম। ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার মতো আইনজীবী বেশি না থাকায় মামলাজট কমানো যাচ্ছে না।
এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের রাজনৈতিক আখ্যা দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ঝিনাইদহে এনসিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে যা হয়েছে, সেখানে পুলিশের দায়িত্বশীলতার কোনো ঘাটতি ছিল না। বিচারকেরাও স্বাধীনভাবে এ বিষয়ে ফাংশন করেছেন। কাজেই এগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা এই কথাগুলো বলছেন।
পরিদর্শন শেষে আইনমন্ত্রী শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক মাসিক সমন্বয় সভায় অংশ নেন। এ সময় শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

