নেত্রকোণার মদনে ১২ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মাদরাসাশিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরের তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে আদালত এ রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে বুধবার (৬ মে) সকালে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে সাগরকে গ্রেপ্তার করে। দুপুরে তাকে নেত্রকোণা জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০২২ সালে হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে শিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার স্ত্রী একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা।
ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় এক বিধবা নারীর একমাত্র মেয়ে। জীবিকার প্রয়োজনে তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। সে কারণে শিশুটি নানির কাছে থেকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক সাগর জোরপূর্বক শিশুটিকে ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি প্রকাশ না করতে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরবর্তীতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েক মাস ধরে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ রাখে। অন্যদিকে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল ছুটি নেওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষকও আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় গত ৩০ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা দায়ের করেন।
এমবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


