ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা সদর থেকে আছিম বাজার পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়কজুড়ে অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বিভিন্ন স্থান ক্ষতবিক্ষত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রিকশা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস ও বাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। খানাখন্দে পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। পাশাপাশি রোগী, শিক্ষার্থী ও নিয়মিত যাতায়াতকারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের দুই পাশে মাছের আড়ত, ইসলামিয়া কলেজ, নসর দোকান, নইমদির নতুন বাজার, ফকির বাড়ি, রামনগর, পিডিপির বাজার ও বাইপাস মোড়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পিচ উঠে গেছে। কোথাও কোথাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ইট-পাথর। বড় বড় গর্তের কারণে এসব স্থানে যানবাহনগুলোকে অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে।
আছিম পাটুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমরুল কায়েস বলেন, খানাখন্দে পড়ে সড়কটিতে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
আছিম বাজারের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, সড়কটি সংস্কার না করায় দিন দিন এর অবস্থা আরো বেহাল হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মালামাল আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
বিদ্যানন্দ পুলের বাজার এলাকার শিক্ষার্থী শামীম সরকার বলেন, আছিম বাজার থেকে ফুলবাড়ীয়া যেতে আগে সময় লাগত ৩০ মিনিট। বর্তমানে সেখানে যেতে প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। এ ছাড়া কখন সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়, সেই ভয়ও থাকে।
উপজেলা প্রকৌশলী জোবায়ের হোসেন বলেন, মাছের আড়ত থেকে পুলের বাজার পর্যন্ত সড়কটির কাজ রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের টেন্ডার হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া এলজিইডির আওতাধীন সড়কটি সংস্কারেরও পরিকল্পনা রয়েছে। যেসব স্থানে খানাখন্দ বেশি, সেসব জায়গা দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

