পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাল শিশুর টিপসই নিয়ে বিতরণ করার ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার দুপুরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল লতিফ এবং ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্বরত উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কার্ডধারী ব্যক্তি বা তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য ছাড়া অন্য কারো চাল গ্রহণের সুযোগ না থাকলেও কন্যা শিশু মাস্টার রোলে টিপসই দিয়ে চাল সংগ্রহ করছে। শিশুরা আইনত ‘অপ্রাপ্তবয়স্ক’, তাই সরকারি নথিতে বা মাস্টার রোলে তাদের টিপসই বা স্বাক্ষরের কোনো প্রশাসনিক গ্রহণযোগ্যতা নেই বলে জানা গেছে।
চাল ব্যবসায়ীরা কার্ডপ্রতি ২০ টাকা মজুরিতে শিশু-কিশোরদের দিয়ে এ চাল উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া ডিজিটাল মিটার ব্যবহার না করে বালতি দিয়ে মেপে চাল দেওয়ায় দুস্থরা ওজনে কম দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদে ৫ হাজার ৬৩৪ ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য জানান, তাদের কোনো কার্ড বিতরণ করতে দেওয়া হয়নি, যার জন্য তারা অনেকে মন খারাপ করে পরিষদে আসেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন, ‘শিশুরা চাল উত্তোলন করতে পারবে কি না, তা আমার জানা নেই। হয়তো অভিভাবকরা আসতে না পারায় শিশুদের পাঠিয়েছেন। এটা দোষের কিছু মনে করছি না।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

