৩৬ ঘণ্টারও বেশি বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তি

উপজেলা প্রতিনিধি, শ্রীবরদী (শেরপুর)

৩৬ ঘণ্টারও বেশি বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তি

শেরপুরের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৩৬ ঘণ্টারও বেশি বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। গত সোমবার রাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় বিদ্যুৎ চলে গেলেও এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারেনি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছ থেকে জানা যায়, দিন- রাত মিলিয়ে প্রায় ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। প্রতিনিয়তই আধা ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে আবার দেড় থেকে দুই ঘণ্টা বিদ্যুতের দেখা মিলছে না।

শ্রীবরদী উপজেলর ভ্যানচালক আ. রশিদ ও চিক্কু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ভ্যান চালিয়ে যা কামাই করি তাই দিয়ে সংসার খরচ চালাই। ঈদের দুইদিন আগে থেকে লোকজন বেশি থাকায় ভাড়া বেশি থাকে, ইনকামও বেশি করা যায়। কিন্তু এই সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় এইবার কামাই করতে পারিনাই। পোলাপানগরে ঈদের কাপড় কেমনে কিনা দিমু? আর বাড়িত বাজারই কেমনে করমু বুঝতেছিনা!

অটোরিকশা চালক জসিম মিয়া বলেন, একটু ঝড়-বৃষ্টি হইলেই দিনের পর দিন বিদ্যুৎ থাকে না। ঈদের আগে গাড়ি চালাবার পাইতাছি না। এখন ঈদের বাজার-সদাই কে কইরা দিবো? আমাগরে দেহার কেউ নাই! অফিসে ফোন দিলেই কয়, লাইন মেরামতের জন্য লোকজন কম।

অন্যদিকে, লোডশেডিংয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। বাজারের দোকানপাটে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে গেছে। ফ্রিজ, ফ্যান বা অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালাতে না পারায় মালামাল নষ্ট হয়ে দোকানিরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। ক্ষুদ্র শিল্প, মাড়াইকলের মতো উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোও ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না।

শ্রীবরদী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী সূর্য্য নারায়ন ভৌমিক জানান, ঝড়ে বিভিন্ন জায়গায় বৈদ্যুতিক তারে গাছের ডালপালা পড়ে লাইন ফল্ট করেছে। কোথায় লাইন ফল্ট করেছে সেটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও ঝিনাইগাতীতে পাওয়ার ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে। সেটা পরিবর্তন করার কাজও চলছে। বিকেলে লাইন ঠিক হতে পারে।

জেডএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন