বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৯ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার বগুড়ায় ফিরছেন। প্রিয় নেতাকে বরণে প্রস্তুত দলীয় নেতা-কর্মীরা। এ সময় রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের পৈতৃক ভিটা ও নিজ নির্বাচনি এলাকা সফর করবেন তিনি। বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে এখন সাজসাজ রব। তার এই আগমনকে ঘিরে উত্তরবঙ্গের এই জনপদে বইছে উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে জিয়া পরিবারের আদি নিবাস ‘জিয়া বাড়ি’সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন নেতাকর্মীরা।
ইতোমধ্যেই তার নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৬ এর স্থানীয় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো অঞ্চল ছেয়ে গেছে ব্যানার-ফেস্টুনে এবং প্রচারের মাইকগুলো মাঠে এসে গেছে। মাঠের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক সুমন বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই মাঠের কাজ শেষ হবে। মাঠের ধুলোবালি দমাতে পানি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিক জেনারেটরের ব্যবস্থা আছে।
একই দিনে তারেক রহমান উত্তরবঙ্গের তিনটি জেলায় নির্বাচনি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। প্রায় দুই দশক পর তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে বগুড়াসহ উত্তরবঙ্গের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক অঙ্গন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ২৮ জানুয়ারি সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও বিমানের টিকিট জটিলতার কারণে তা একদিন পিছিয়ে ২৯ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিএনপির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা আমার দেশকে বলেন, আমরা আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ পরিদর্শন করেছি। আশা করছি, জনসভায় কয়েক লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে। ২৯ জানুয়ারি জনসভা শেষে তারেক রহমান বগুড়াতেই রাত্রিযাপন করে পরদিন ৩০ জানুয়ারি সকালে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগ করবেন। গাবতলী উপজেলার পৈতৃক ভিটা বাগবাড়ী গ্রামে স্থানীয় নেতাকর্মী ও মানুষজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং গণসংযোগে অংশ নেবেন। এরপর তিনি পুনরায় বগুড়া শহরে ফিরে রাত্রি যাপন করবেন।
বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, আলী আজগর হেনা, এমআর ইসলাম স্বাধীন, জেলা মহিলা দলের নাজমা আক্তার, জয়নাল আবেদিন চাঁন, অ্যাড. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, ছাত্রদল সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেছেন, আমরা জনসভা এবং ভোটকে সফল করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।
২০০৬ সালের পর দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়ে দেশে ফেরার পর এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। সফরের শেষলগ্নে পৈতৃক ভিটায় তার এই অবস্থানকে ঘিরে গাবতলী ও সারিয়াকান্দি এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিপুল জনসমাগমের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


‘দেড় বছরও পেরোয়নি—অথচ কত দম্ভ’, মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে হাসনাত