হাতীবান্ধা থানার ওসির অপসারণ দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

হাতীবান্ধা থানার ওসির অপসারণ দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ
ছবি: আমার দেশ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রমজান আলীর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত নেতা আফাছ উদ্দিনকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতাকে আটকের পর কোনো মামলা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ওসির বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ করা হয়।

সোমবার বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া মোড় এলাকায় লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ডাকালিবান্ধা বাজারে পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জামায়াত নেতা আফাছ উদ্দিন ও একই ইউনিয়নের বিএনপির সদস্য সচিব ও ইউপি সদস্য আশরাফ উদ্দিনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে আফাছ উদ্দিন গুরুতর আহত হন। পরে উত্তেজিত জনতা আশরাফ উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানার ওসি রমজান আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আশরাফ উদ্দিনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। পরে গভীর রাতে কোনো মামলা ছাড়াই বিএনপি নেতা আশরাফ উদ্দিনকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণে বিক্ষোভ করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

হাতীবান্ধা উপজেলা জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে জামায়াত নেতা আফাছ উদ্দিন নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় আশরাফ উদ্দিন ও তার দলবল বেধড়ক মারধর করেন। পরে উত্তেজিত জনতা বিএনপি নেতা আশরাফ উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। সেখানে হাতীবান্ধা থানার ওসি রমজান আলী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হন।

পরে ওসি জামায়াতের কাছে সহযোগিতা চান। আমরা ওসি রমজান আলীকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করি। এ সময় ওসি রমজান আলী আমাদের আশ্বাস দেন, বিএনপি নেতা আশরাফ উদ্দিনকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। কিন্তু তিনি গভীর রাতে আশরাফ উদ্দিনকে ছেড়ে দেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং ওসি রমজান আলীকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানাই।

এ সময় হাতীবান্ধা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন