দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্ক্রিনশট ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদলের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১২ জন আহত হয়েছে।
সূত্র জানায়, ছাত্রদলকর্মী ও সাবেক সমন্বয়ক সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীর ইনবক্সে গিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব ও অসৌজন্যমূলক আচরণের স্ক্রিনশট ফাঁসের ঘটনায় সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে ৷
অভিযুক্ত সুজন ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০ ব্যাচের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী । তিনি ছাত্রদল নেতা মেহেদী বাবুর অনুসারী।
রোববার বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের ছাত্রদল নেতা অর্ণবের অনুসারী ও শহীদ আবরার ফাহাদ হলের ছাত্রদল নেতা মেহেদী বাবুর অনুসারীদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ৷
একাধিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১৮ই এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকর্মী সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে মেয়েদের ইনবক্সে গিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব ও অসৌজন্যমূলক আচরণের কয়েকটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্কিনশটের সূত্র ধরে তার হলের ছাত্রদল নেতা অর্ণবের অনুসারী সুজনকে হল থেকে নামিয়ে দিতে যায়।
অপরদিকে আবরার ফাহাদ হলের ছাত্রদলনেতা মেহেদী বাবুর অনুসারীরা তাতে বাঁধা দেন। এনিয়ে দুই হলের ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে দুই গ্রুপের অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
স্কিনশটের বিষয় অস্বীকার করে ছাত্রদলকর্মী সুজন ইসলাম বলেন,“অর্থনীতি ক্লাবের নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এআইয়ের তৈরি স্কিনশটগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। এ ঘটনায় আমি কোতোয়ালি থানায় জিডি করেছি৷”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এখন ব্যস্ত আছি। পরবর্তীতে কথা বলব বলে ফোন কেটে দেন।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

