দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ৩ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন জামায়াত নেতার স্ত্রী গুলনাহার বেগম (৫৫)। এ ঘটনায় দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় জিডি করা হয়েছে।
এদিকে হাসপাতাল থেকে রোগী নিখোঁজের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনেকে হাসপাতালে রোগীর নিরাপত্তার ইস্যু সামনে নিয়ে এসেছেন।
নিখোঁজ রোগী গুলনাহার বেগম সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরবন ইউনিয়নের বীরগাঁও গ্রামের জার্জিস হোসেনের স্ত্রী। জর্জিস হোসেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দিনাজপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরবন ইউনিয়নের কর্মপরিষদ সদস্য।
জানা গেছে, হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে গুলনাহার বেগমকে ভর্তি করান তার স্বজনরা। যথারীতি চিকিৎসাও চলছিল। পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টার সময় পাশে থাকা মেয়ে জাকিয়া সুলতানা টয়লেটে গিয়ে ফেরে এসে দেখেন তার মা নেই।
এরপর থেকে রোগীকে খুঁজে পাচ্ছেন না তারা। পরে কোতোয়ালি থানায় জিডি করা ছাড়াও তার সন্ধানে শহরজুড়ে মাইকিং করা হয়েছে। নিখোঁজ গুলনাহার বেগমের স্বামী জর্জিস হোসেন জানান, এখনো তার স্ত্রীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি কোতোয়ালি থানায় জিডি করেছেন।
কোতোয়ালি থানার পুলহাট ফাঁড়িতে কর্মরত উপ-পরিদর্শক রুহুল আমিন জানান, নিখোঁজ রোগীর সন্ধান পেতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করবেন তারা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, রোগী নিখোঁজের পর হাসপাতালের সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে দেখা হয়েছে। তারপরও হাসপাতালের ভেতরের অংশ ছাড়াও হাসপাতাল এলাকা খুঁজে দেখার জন্য চিঠি ইস্যু করেছি। তার নিখোঁজ হওয়া দুঃখজনক।
কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নুরুন নবী বলেন, থানায় জিডি হয়েছে। আমরা সব থানায় ম্যাসেজ পাঠিয়েছি। তাকে খুঁজে পেতে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

