জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনের ১১দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, ১১দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দেশে চাঁদাবাজি ও ধান্দাবাজি বন্ধ করা হবে। একই সঙ্গে পঞ্চগড় জেলা ও তেঁতুলিয়া উপজেলার গুটি কয়েক চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজকে বিতাড়িত করা হবে।
কারণ গোটা পঞ্চগড় জেলায় গুটি কয়েক লোক চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জনসাধারণকে জিম্মি করে রেখেছে। এছাড়া শ্রমিক ভাই-বোনদের বালু-পাথরমহালে জড়িত করে যুগযুগ ধরে তাদের কষ্ট ও ঘামের টাকা রক্তচোষার মতো বসে বসে পার্সেন্ট খাচ্ছে।
তিনি বলেন, এসব নেতা দিনের বেলায় ফেরেস্তার মতো কথা বলে আর রাতের আঁধারে মাদক কারবারি ও চোরাকারবারি এবং চান্দাবাজির টাকা গ্রহণ করে। এভাবে জনসাধারণকে রক্তচোষার মতো চুষে চুষে খাচ্ছে।
তাই আপনাদের দেওয়া ভোটে যদি ১১দলীয় জোটের পক্ষে আমি পঞ্চগড়ে এমপি নির্বাচিত হই তবে এই চাঁদাবাজি ও ধান্দাবাজি আর দুর্নীতিবাজদের পঞ্চগড় থেকে বিতারিত করা হবে। গত বুধবার সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের ঐতিহাসিক তেঁতুলতলায় নির্বাচনি পথসভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
সারজিস আলম আরও বলেন, আমি পঞ্চগড়ে এমপি নির্বাচিত হলে তেঁতুলিয়া উপজেলার শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হবে। পঞ্চগড়ে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা চালুর বিষয়ে ডাক্তার নিয়োগসহ ২৫০ শর্যা হাসপাতাল অচিরেই চালু করা হবে। এছাড়া মাদকের কারবার বন্ধ করাসহ পুরো সিস্টেমকে ছুড়ে ফেলা হবে। এই উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নসহ জনসাধাণের চাহিদা অনুযায়ী আমার জোট কাজ করবে।
তেঁতুলিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় পথসভায় ১১দলীয় জোটের নেতাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন পঞ্চগড় জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মীর মো. মুরশেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শাহাজাহন মেম্বার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পঞ্চগড় জেলা আমীর মাও. অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন প্রমুখ।
এ সময় এনসিপির যুবশক্তির জেলা ও উপজেলা এবং ১১দলীয় জোটের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিশাল একটি নির্বাচনি মিছিল চৌরাস্তা বাজারের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

