সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেছেন, “সুনামগঞ্জ-১ আসন অবহেলিত একটি অঞ্চল। ‘বর্ষায় নাও হেমন্তে পাও’ দিয়ে চলতে হয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগে পিছিয়ে আছে। যেন এ অঞ্চল এক আফ্রিকান। তৃণমূলের মানুষ আমাকে এলাকার চিত্র বদলে দিতে এমপি বানিয়েছেন। একজন এমপি চাইলে পরিবর্তন সম্ভব। আমি বদলে দিতে চাই হাওরের চিত্র। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলেছি। তিনি হাওরের মানুষের প্রতি খুবই আন্তরিক।”
শনিবার রাত ৯টায় সুনামগঞ্জ শহরের এক রেস্টুরেন্টে জেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জলাবদ্ধতায় হাওরে ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। হাওরে কৃষকের কান্নার ঢেউ চলে। আমি এখন হাওরে হাওরে ঘুরছি। ছোটবেলা থেকেই হাওরে ঘুরছি। সাধ্যমতো কৃষকের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।’
তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘কয়েকজন কৃষক আমাকে নিয়ে কটূক্তি করেছে। আমি তখন সাংসদে ছিলাম। তারা আমার সমালোচনা করবেন। কারণ তারাই আমাকে এমপি বানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা অনেক। সমালোচনা করা তাদের অধিকার।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাংবাদিকেরা আমার পক্ষে-বিপক্ষে লিখবে। আমার গঠনমূলক সমালোচনা না করলে সঠিক চিন্তা করা সম্ভব হবে না। আমি চাই তারা আমার ত্রুটি ধরুক। ভুল পথে আমি থাকতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘আমি এমপি হওয়ার পর আরো সাধারণ হয়ে গেছি। আমি সাধারণের মাঝেই থাকতে পছন্দ করি। এলাকায় কোনো শিল্প কারখানা নাই। হাওরে কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পকারখানা গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাব। টাঙ্গুয়ার হাওর আজ ধ্বংসের মুখে। আমি এই হাওর নিয়ে চিন্তা করছি। আপনাদের পরামর্শ নিয়ে পরিবেশবান্ধব টাঙ্গুয়াকে সাজাব।’
তিনি বলেন, ‘আমি কোনো নদী কিংবা বিলে শেয়ার হব না। টাকাকড়ি চাই না। ৭০ হাজার বছর বাঁচব না। এত টাকার দরকার নাই। কাজের মাধ্যমে মানুষের কাছে বেঁচে থাকতে চাই ‘
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

