বিএনপি থেকে বহিস্কৃত এক বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ৯ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের ৫ জন জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতা। অপর ৪ জন হচ্ছে কানাইঘাটের বিভিন্ন ইউনিটের।
শনিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিস্কৃত নেতারা হলেন- জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সেলিম, যুগ্ম সম্পাদক মাসুক আহমদ, সদস্য রিপন আহমদ ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ।
অপর ৫ জন হলেন- কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ওয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান পারভেজ, কোষাধ্যক্ষ আবুল বাশার, ২নং লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও ৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসেন নিমার।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতারা দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মামুনুর রশিদ ওরফে চাকসু মামুনের পক্ষে কাজ করছিলেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন দলীয় নির্দেশনা অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাদের সব ধরনের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
উল্লেখ, সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে বিএনপি আসন সমঝোতার ভিত্তিতে জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে সমর্থন জানিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
এদিকে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। তিনি তার অনুসারীদের নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

