সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নে গলায় ফাঁস দিয়ে রূপা মিয়া (১৯) নামের এক তরুণ আত্মহত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে ইউনিয়নের আছিমপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রূপা মিয়া ওই গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন মিশুক চালক ছিলেন।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে রূপা মিয়া কাজ থেকে বাড়িতে ফিরে তার মা ফুলমালা বেগমকে শরীর খারাপ লাগছে বলে জানান। মা তাকে নিজের ঘরে গিয়ে বিশ্রাম নিতে বলেন এবং তিনি মোবাইল চার্জ করতে বাড়ির বাইরে যান। কিছুক্ষণ পর বাড়িতে ফিরে মা ফুলমালা বেগম ঘরে ঢুকে ছেলেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
তার চিৎকারে প্রতিবেশী ও স্বজনরা ছুটে আসেন। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে।
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক সুরতহাল শেষে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলমান।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

