এসএমই ব্যবসা খাত নিয়ে ৬ দফা দাবি ন্যাশনাল এসএমই অ্যাসোসিয়েশনের

এসএমই ব্যবসা খাত নিয়ে ৬ দফা দাবি ন্যাশনাল এসএমই অ্যাসোসিয়েশনের

এসএমই ব্যবসা খাতে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও সহিংসতা বন্ধে ন্যাশনাল এসএমই অ্যাসোসিয়েশন ৬ দফা দাবি তুলে ধরেছে। সোমবার বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

৬ দফা দাবি হলো—চাঁদাবাজি-সম্পর্কিত হত্যার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে: ৯০ দিনের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করতে হবে। সাক্ষী সুরক্ষা আইন জোরদার করে ভিকটিম পরিবারকে সরকারি নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রতিটি থানায় এসএমই সুরক্ষা সেল- স্থাপন করতে হবে (২৪/৭ হেল্পলাইন: ৩৩৩)। চাঁদাবাজি তদন্তে ডিজিটাল টাস্কফোর্স (পুলিশ-র‍্যাব-এনবিআর সমন্বয়ে গঠন করতে হবে। চাঁদাবাজি দমন অধ্যাদেশ, ২০২৫, প্রণয়ন করতে হবে এবং অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি: মৃত্যুদণ্ড/আজীবন কারাদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ এর বিধান রাখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত এসএমই এসপিডি সার্কুলার নং-০২ এর আওতায় এসএমই ব্যবসাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আন্তর্জাতিক এসএমই দিবস পালনের ১ মাস শেষ হতে বা হতেই সম্প্রতি ঢাকায় ১ জন এসএমই ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে হত্যা আমাদেরকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। এই ঘঠনা শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় এটি দীর্ঘ ৪৫ বছরের এসএমই ব্যবসার খাতে চাঁদাবাজির ধারাবাহিকতা।

সংগঠনটি বলেছে, চাঁদাবাজি রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় সংগঠিত সন্ত্রাসে রূপ নিয়েছে, যা দেশের ৯২ শতাংশ ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের জন্য অস্তিত্বের হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। গত ১০ বছরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ১৩৭ জন ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুধু ২০২৪-২৫ সালেই ঢাকায় ৮টি সুনির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ড, যার সর্বশেষ নজির পুরান ঢাকার আমাদের এসএমই ব্যবসায়ী ভাই সোহাগ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যদি রাষ্ট্র আমাদের রক্ষা না করে, আমরা নিজেরাই রক্ষা করব। সকল ব্যবসায়ী সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও সুশীল সমাজের অংশগ্রহণে জাতীয় চাঁদাবাজি বিরোধী জোট গঠন করার উদ্যোগ নিবো। আমরা রাজনৈতিক দলের প্রধান ব্যক্তিবর্গ, প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও জাতীয় ব্যক্তিবর্গ সামনে ঐতিহাসিক প্রশ্ন রাখছি: ৪৫ বছরের এই রক্তপাতের দায় কে নেবে?

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন