বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং গার্মেন্টসটেকবিডি.অর্গ (অ্যাকাডেমি অফ গার্মেন্টস টেকনোলজি বাংলাদেশ) যৌথভাবে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট (ডিপিপি) উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য একটি কৌশলগত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এটি গার্মেন্টসটেক.এক্সপ্রেস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্যকর হবে। গত ৪ জুন বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এ অংশীদারিত্বের লক্ষ্য হলো- ইউরোপীয় ইউনিয়নের আসন্ন বাধ্যতামূলক শর্তগুলো মেনে চলার প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের তৈরি পোশাকখাতকে শক্তিশালী করা। ২০৩০ সালের মধ্যে ইইউ বাজারে প্রবেশকারী সকল পণ্যের জন্য ডিজিটাল পণ্য স্বচ্ছতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুসারে, উভয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য কাস্টমাইজড সার্কুলার সাপ্লাই চেইন এবং ডিপিপি মাস্টার ডেটা সম্পর্কিত একটি জাতীয় জ্ঞান কেন্দ্র স্থাপনে একসঙ্গে কাজ করবে।
তারা টেকসই সাপ্লাই চেইন, ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি এবং সার্কুলার ইকোনমি নীতির উপর জোর দিয়ে কারখানার ঊর্ধ্বতন এবং মিড লেভেল ম্যানেজমেন্ট এর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তৈরি করবে। এছাড়াও, বৈশ্বিক সর্বোত্তম অনুশীলনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচিত পোশাক কারখানাগুলোতে পাইলট প্রকল্প তদারকি করবে।
বিজিএমইএ এর প্রশাসক আনোয়ার হোসেন বলেন, “এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি – আমরা এমন একটি ভবিষ্যতের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান, প্ল্যাটফর্ম এবং অংশীদারিত্ব থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি ট্রেসেবিলিটি, কমপ্লায়েন্স এবং সার্কুলারিটি বাজারের মূল ভিত্তি।"
গার্মেন্টসটেকবিডি.অর্গ এর কৌশলগত অংশীদার ড. হেনরি সু বলেন, “ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট বাস্তবায়ন শুধুমাত্র কমপ্লায়েন্স প্রতিপালনের বিষয়ই নয়, বরং এটি বাংলাদেশের পোশাক খাতের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তরের একটি চালিকাশক্তি। গার্মেন্টসটেক.এক্সপ্রেস এর মাধ্যমে আমরা এ ব্যাপারে প্রস্তুতির ঘাটতি কমাতে এবং কারখানার ফ্লোর থেকে ফ্যাশন শেলফ পর্যন্ত নির্বিঘ্ন, রিয়েল-টাইম ডেটা ইন্টিগ্রেশন সক্ষম করতে চাই।”
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

