কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিজস্ব কার্যালয়ে অফিস করেছেন চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনুপস্থিত থাকার পর আজ রোববার বেলা ৪টার দিকে অফিসে আসেন তিনি। এ সময় সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি সেখানে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
এছাড়া এনবিআর ভবনে আসার আগ থেকেই বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
রাজস্ব ভবনে ‘অবাঞ্চিত’ ঘোষণার তিন দিনের মাথায় অফিসে আসলেন এনবিআর চেয়ারম্যান। গত ২৯ মে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’ চেয়ারম্যানকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছিল।
গত ১২ মে এনবিআর বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব বাস্তবায়ন নামে দুটি পৃথক বিভাগ গঠনে অধ্যাদেশ জারির পর থেকে তা বাতিলের দাবি করে ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’। চেয়ারম্যানের প্রতি ‘আস্থা সংকট ও অবিশ্বাসের’ অভিযোগ তুলে গত ২১ মে চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবি জানায় তারা। একইসঙ্গে অধ্যাদেশ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়।
কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত অধ্যাদেশে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার পাশাপাশি বেশ কিছু বিষয়ে আশ্বাস দেওয়ার পর গত ২৫ মে আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করলেও এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণে ২৯ মে পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয় পরিষদ। কিন্তু তাকে অপসারণ না করায় ২৯ মে রাতে চেয়ারম্যানকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে ঐক্য পরিষদ। পরিষদের অভিযোগ, অধ্যাদেশ নিয়ে তিনি ‘লুকোচুরির আশ্রয়’ নিয়েছেন এবং ‘বিশ্বাসযোগ্যতা’ হারিয়েছেন।
তবে অটোমেশন চালু, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণে চেয়ারম্যানকে অপসারণে একটি গ্রুপ উঠে পড়ে লেগেছে—এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

