দলীয় প্রভাবমুক্ত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রদান করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো দলীয় লোক সম্পৃক্ত থাকবে না। ফ্যামিলি কার্ডের মনিটরিংয়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন।
সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনা ও অনুমোদন, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন (সংশোধন) গাইডলাইন-২০২৬ চূড়ান্তকরণ এবং ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬ এর খসড়া পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের টাকা কোনোভাবেই যাতে পরিবারের পুরুষের কাছে না যায়, সেটি কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কর্মসূচির বাস্তবায়ন কার্যক্রম নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর উপকারভোগীদের তালিকা হালনাগাদ করা হবে।
তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এ প্রকল্প দেশের দরিদ্র পরিবারের জীবনযাপনের মানোন্নয়নের জন্য।
তিনি আরো বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং সেই স্থিতিশীলতা থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে উত্তরণ ঘটানোই হবে বাজেটের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এবারের বাজেটের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি থেকে কোনো পরিবার বাদ পড়বে না। ঘরে ঘরে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে পাওয়া অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কর্মসূচির নীতিমালা সংশোধন ও উন্নত করা হয়েছে।
সভায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, এমপি; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
এএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

