ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন

জানুয়ারি-ডিসেম্বর অর্থবছর নয় কেন

জানুয়ারি-ডিসেম্বর অর্থবছর নয় কেন
প্রতীকী ছবি

অর্থবছরের সময় বদল করে জুলাই-জুন থেকে এপ্রিল-মার্চ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন এ ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার কথা। এর আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছর জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসের একটি ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে গণ্য করার আলোচনা চলছে। কিন্তু অর্থবছর পরিবর্তনের সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কর বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, পরিবর্তন করা হলে নতুন অর্থবছর পূর্ণাঙ্গ ক্যালেন্ডার বছর বা ‘জানুয়ারি-ডিসেম্বর’ নয় কেন?

রাজস্ব ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা জানান, দেশের ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ বহুজাতিক কোম্পানি জানুয়ারি-ডিসেম্বর মেয়াদে তাদের বার্ষিক হিসাব শেষ করে থাকে। ফলে জাতীয় অর্থবছরকেও যদি ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে মেলানো হতো, তবে করপোরেট কর পরিপালন ও আইনি প্রক্রিয়া যেমন সহজ হতো, তেমনি বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গেও পরিসংখ্যানগত সামঞ্জস্য আসত। একই সঙ্গে নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুরো শুষ্ক মৌসুমকে প্রথম দিন থেকেই বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) নির্মাণকাজে শতভাগ ব্যবহার করা যেত। এই বাস্তবতায় আংশিক পরিবর্তনের চেয়ে ক্যালেন্ডার বছরকে জাতীয় অর্থবছর করাই সরকারের জন্য অনেক বেশি দূরদর্শী ও ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত হতো বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞাপন

অর্থবছর পরিবর্তনের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও জানুয়ারি-ডিসেম্বর মেয়াদের পক্ষে জোরালো যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ এ প্রসঙ্গে আমার দেশকে বলেন, অর্থবছর পরিবর্তন করতে হলে সেটি জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর করা সবচেয়ে ভালো। সাধারণত ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদনমুখী কোম্পানিগুলোর দুটি প্রধান ব্যস্ত সময় (পিক টাইম) থাকে—ডিসেম্বর ও জুন। এ জন্য বিদ্যমান অর্থবছর পরিবর্তন করতে চাইলে জানুয়ারি-ডিসেম্বর করাই যুক্তিযুক্ত।

করপোরেট কর ও এডিপি বাস্তবায়নে বড় সুবিধা

একই সুর শোনা গেছে কর বিশেষজ্ঞদের কণ্ঠেও। এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া আমার দেশকে বলেন, অর্থবছর জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চ করার যে পরিকল্পনা চলছে, তার চেয়ে পূর্ণাঙ্গ ‘ক্যালেন্ডার বছর’ (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) গ্রহণ করা অর্থনীতির জন্য অনেক বেশি ফলপ্রসূ হতো। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা ও অধিকাংশ বহুজাতিক কোম্পানি ইতোমধ্যেই ক্যালেন্ডার বছরে হিসাব সমাপনী করে। জাতীয় অর্থবছর এর সঙ্গে মেলালে করপোরেট কর পরিপালন সহজ হতো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গেও পরিসংখ্যানগত সামঞ্জস্য আসত।

তিনি আরো বলেন, সবচেয়ে বড় সুবিধা মিলত এডিপি বাস্তবায়নে। নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুরো শুষ্ক মৌসুমকে প্রথম দিন থেকেই উন্নয়নকাজে শতভাগ কাজে লাগানো যেত; বর্ষায় কাজ আটকে থাকত না। এসব কারণে ক্যালেন্ডার বছরকেই জাতীয় অর্থবছর করা অধিকতর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হতো।

কেন অর্থবছরের সময় পরিবর্তন

অর্থ আইন অনুযায়ী, এক অর্থবছরের বরাদ্দ করা অর্থ পরবর্তী অর্থবছরে খরচের সুযোগ নেই। কিন্তু বিদ্যমান অর্থবছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং সড়ক বিভাগে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলন করে পরবর্তী সময়ে কাজ সম্পন্ন ও বিল পরিশোধের অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে কাজের মান বজায় থাকে না, অন্যদিকে অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেও অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় হয়।

সরকারি আর্থিক বিধিমালা (জিএফআর) অনুযায়ী, এক অর্থবছরে সরকারের জন্য অননুমোদিত বকেয়া দায় সৃষ্টি করা যায় না। একইভাবে ভবিষ্যতে অর্থ প্রাপ্তির আশায় বর্তমানে দায় সৃষ্টি করারও সুযোগ নেই। কিন্তু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ (এলজিইডি) সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোয় এসব বিধির ব্যত্যয় ঘটিয়ে আর্থিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের চাপের মুখে পড়ে অর্থ ছাড় করতে গিয়ে সরকারি অর্থের অপচয় ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়।

এছাড়া অর্থবছর শেষে অব্যবহৃত অর্থ পরবর্তী অর্থবছরের প্রথম সাত দিনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু বন্যা-বৃষ্টির মতো নানা অজুহাতে এ বিধান নিয়মিতভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম ও আর্থিক বিশৃঙ্খলা রোধে অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

সরকার বলছে, দেশে অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করার ফলে জুলাই-আগস্ট মাসে অর্থাৎ বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকে। এতে বর্ষার কারণে একদিকে কাজ দীর্ঘায়িত হয়, কাজের গুণগত মানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে বর্ষার আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এ জন্য ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর নির্ধারণ যুক্তিযুক্ত।

কেন এপ্রিল-মার্চ বেছে নিল সরকার

সরকারের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহার করা হলে মে-জুন-জুলাই মাসের তীব্র বর্ষাকালের আগেই দেশের বড় বড় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে একদিকে যেমন কাজের গুণগত মান বজায় থাকবে, অন্যদিকে জনদুর্ভোগ কমবে।

এই রূপান্তরের ট্রানজিশন বা উত্তরণকাল হিসেবে আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরটি হবে মাত্র ৯ মাসের (১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৮) একটি অন্তর্বর্তীকালীন বছর। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে স্থায়ীভাবে এপ্রিল-মার্চ চক্র চালু হবে, যা ভারত, যুক্তরাজ্য, জাপান ও সিঙ্গাপুরের সরকারি অর্থবছরের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করব্যবস্থা ও সরকারি হিসাবরক্ষণের আমূল পরিবর্তন না করে আংশিক পরিবর্তনের এই সুফল কতটা পাওয়া যাবে—তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আইনি ও রাজস্ব কাঠামো পর্যালোচনা

অর্থবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন-সংক্রান্ত কমিটি ইতোমধ্যে প্রথম বৈঠক করেছে। পরে অর্থবছরের এই বড় পরিবর্তনের সঙ্গে সংগতি রেখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন—বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি), জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি), বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর এবং সরকারি কর্মচারী হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট ৯টি দপ্তর ও সংস্থাকে তাদের নিজ নিজ দপ্তরের প্রয়োজনীয় তথ্য ও মতামত পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের মতামতের ভিত্তিতে কর্মপন্থা নির্ধারণে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৈঠক করবে এ-সংক্রান্ত কমিটি।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে কমিটি আইনগত পরিবর্তনের বিষয়টি যাচাই করা, সংবিধানের ধারায় পরিবর্তন আনা, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিজস্ব অবস্থান থেকে আইনি কোনো বিষয় রয়েছে কি না তা যাচাই করা, রাজস্ব বা কর-সংক্রান্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে।

অর্থবছর পরিবর্তনের জন্য রাজস্ব-সংক্রান্ত কী কী বিষয় রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে। এছাড়া অর্থবছর পরিবর্তনের সঙ্গে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত বিভিন্ন সিস্টেমে প্রযুক্তিগত কী পরিবর্তন আনতে হবে তা-ও খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর বাইরে দাতাসংস্থাগুলো বর্তমানে ঋণ বা অনুদান দিয়ে থাকে বিদ্যমান অর্থবছর অনুসারে। অর্থবছর পরিবর্তনজনিত কারণে তাদের দিক থেকে কোনো বক্তব্য রয়েছে কি না কিংবা পরিবর্তন করলে তাদের চলমান ঋণগুলোর সমন্বয় কীভাবে হবে—এ বিষয়গুলো নিয়ে দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গেও বসতে হবে।

জানা গেছে, দেশের অর্থবছর নির্ধারিত হয়েছে সংবিধান অনুসারে ‘অর্থ বৎসর’ অর্থ জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া বছর। এছাড়া সংবিধান অনুসারে অর্থবছরের বাজেট বা ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সংসদে উপস্থাপিত হয়। সুতরাং, অর্থবছর পরিবর্তন করতে গেলে আগে সংবিধানের এই ধারাগুলোতে সংশোধন আনতে হবে, যার জন্য আইন মন্ত্রণালয়কে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) কর ও রাজস্ব-সংক্রান্ত পরিবর্তনের বিষয়গুলো এবং দাতা সংস্থাগুলোর ঋণ ও অনুদানের চলমান হিসাবের সমন্বয়ের উপায় খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই অর্থবছর পরিবর্তনের দাবি ছিল অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকসহ বিভিন্ন মহলের। সর্বশেষ জাতীয় সংসদে বিরোধী দল থেকে অর্থবছর পরিবর্তনের দাবি তোলা হয়। যদিও তারা জানুয়ারি-ডিসেম্বর করার দাবি জানিয়েছিলেন। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ আগস্ট বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ওই দিন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

দেশে দেশে অর্থবছর

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থবছরের সময়কাল এক নয়। কোনো দেশ ক্যালেন্ডার বছর অনুসরণ করে, আবার কোনো দেশ এপ্রিল, জুলাই বা অক্টোবর থেকে অর্থবছর শুরু করে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অধিকাংশ সদস্যদেশে জানুয়ারি-ডিসেম্বর অর্থবছর প্রচলিত। তবে যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক প্রভাবের কারণে বেশ কয়েকটি দেশে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু রয়েছে।

ভারত, যুক্তরাজ্য, জাপান, কানাডা, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ আফ্রিকায় সরকারি অর্থবছর শুরু হয় ১ এপ্রিল এবং শেষ হয় পরবর্তী বছরের ৩১ মার্চ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থবছর শুরু হয় ১ অক্টোবর, শেষ হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। চীন, জার্মানি ও ফ্রান্সে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থবছর গণনা করা হয়। আবার অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানে অর্থবছর চলে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত।

অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ বিরোধী দলের

বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন আমার দেশকে বলেন, ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার পর অর্থ ছাড় হতে কিছুটা সময় লাগে। এরপরই শুরু হয় বৈরী আবহাওয়া ও বর্ষা মৌসুম। ফলে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে নির্মাণকাজ। বর্ষার ভরা মৌসুমে এসব কাজ শুরু করতে গিয়ে বাস্তবায়নের গতি মন্থর হয়ে পড়ে। এ কারণে অর্থবছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর করা হলে উন্নয়নকাজের জন্য চার-পাঁচ মাসের একটি দীর্ঘ অনুকূল সময় পাওয়া যেত। এতে কাজের গতি বাড়ার পাশাপাশি আবহাওয়াজনিত প্রতিবন্ধকতাও অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব হতো।

এমপি মিলন আরো বলেন, অর্থবছর পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচিত ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ, বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করা। সবার মতামত ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...