রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ব্যাংকে বেসরকারি খাতের ব্যাংক থেকে এমডি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের এমডি শওকত আলী খানের অপসারণ আদেশ বাতিল করেছে সরকার।
সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক নির্দেশনা জারি করা হয়।
জনতা ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বেসরকারি খাতের সাউথইস্ট ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা (চিফ রিস্ক অফিসার) মাহবুব আলম। অগ্রণী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) নূর মোহাম্মদ। আর বেসিক ব্যাংকের এমডি করা হয়েছে জনতা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল হুদাকে। তাদের সবাইকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডি পদে বেসরকারি খাতের ব্যাংক থেকে নিয়োগ দেওয়ার নজির আগেও ছিল। অগ্রণী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। তিনি একসময় সাউথইস্ট ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকের এমডি ছিলেন। পরে ২০০৪ সালে তাকে অগ্রণী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া চলতি বছরের জুনে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার।
এর আগে দুই দফায় রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিন বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া এমডি ও সিইওদের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। প্রথম দফায় গত ২ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের এমডি মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বেসিক ব্যাংকের এমডি মো. কামরুজ্জামান খান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির (বিডিবিএল) এমডি মো. জসিম উদ্দিনের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। দ্বিতীয় দফায় গত ১৯ অক্টোবর একইভাবে সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের এমডি মো. মজিবুর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের এমডি কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

