বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান এ এফ এম শাহীনুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত এই সংস্থাটির প্রধানের একটি বিতর্কিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনা তদন্তে কমিটি ঘটন করে।
কমিটির রিপোর্টের ভিডিওটির সত্যতা মিলেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। এরপর মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে তার অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের চলতি বছরের জানুয়ারিতে নানা প্রক্রিয়া শেষে সরকার এ এফ এম শাহীনুল ইসলামকে বিএফআইইউ প্রধান পদে নিয়োগ দেয়। এর আগে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ছিলেন ও আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএফআইইউর উপ-প্রধান পদে ছিলেন। এরপর নিয়মিত অবসরে যান তিনি।

গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কর্মকর্তাদের চাপে মাসুদ বিশ্বাস পদত্যাগ করেন। ওই সময়ে বিএফআইইউর প্রধান পদে থাকা মাসুদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সরকার বদলের পর শেখ হাসিনার পরিবারের পাশাপাশি ১০ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঋণ ও অর্থ পাচারের অনিয়ম তদন্ত শুরু হয়েছে। যার সমন্বয় করছে বিএফআইইউ। ১০ শিল্পগ্রুপ হলো এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, জেমকন গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ ও আরামিট গ্রুপ। এছাড়া আরও ২০০ ব্যবসায়ী গ্রুপের অনিয়ম তদন্তের আওতায় এসেছে।
এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএফআইইউ প্রধানের বিতর্কিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তাকে ছুটিতে পাঠানো হয়। পদটি ফাঁকা হওয়ায় বিএফআইইউ প্রধান পদে নতুন কাউকে নিয়োগ দেবে সরকার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

