বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) প্রথমবারের মতো ‘ইমার্জেন্সি মেডিসিন’ বিষয়ে এমডি কোর্স শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করা হয়।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনির লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টর সিনিয়র স্টাফ স্পেশালিস্ট ইমার্জেন্সি মেডিসিন বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক ডা. রেজা আলী।
এতে বিএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন, বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।
বিএমইউর জেনারেল সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ফারুক ইশতিয়াক সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনঅধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহীম সিদ্দিক, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান প্রমুখসহ অস্ট্রেলিয়ার মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা ফ্যাকাল্টি, বিএমইউ এর সম্মানিত ডিন, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ এই উদ্বোধনী সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ এক ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে যেখান হতে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে নতুন ভর্তি হওয়া নবীন চিকিৎসকগণ ইমার্জেন্সি মেডিসিন বিষয়ে দেশ এবং বিদেশের প্রখ্যাত ফ্যাকাল্টিদের তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারবেন এবং দেশের রোগীদের উচ্চ মানসম্মত জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে পারবেন।
বিএমইউর অধীনে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে ভর্তি হওয়া নবীন চিকিৎসকদের এই সংখ্যা প্রতি বছর বাড়বে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে মানসম্পন্ন, আধুনিক, জীবন রক্ষাকারী জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার যার সফল বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বক্তারা বাংলাদেশে ইমাজেন্সি মেডিসিন বিষয়ে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ তৈরি, দক্ষ জনবল তৈরি, দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলাসহ সমন্বিত ব্যবস্থার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

