বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ নয়, টেকসই পুনর্বাসনের দাবি

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ নয়, টেকসই পুনর্বাসনের দাবি
বাঁশখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীন সড়ক ও ভেঙে পড়া মাটির ঘর: ছবি আমার দেশ

বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যায় সর্বস্ব হারানো মানুষের এখন প্রধান দাবি ত্রাণ নয়, বরং টেকসই পুনর্বাসন ও মাথা গোঁজার ঠাঁই বা বসতঘরের স্থায়ী ব্যবস্থা।

বিজ্ঞাপন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য আগামী সোমবার (৩১ আগস্ট) বাঁশখালী সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া। সফরকালে তিনি কয়েকটি এনজিও সংস্থার কার্যক্রম পরিদর্শনের পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত এক হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন।

উপজেলার খানখানাবাদ, গুনাগরি, বাহারছড়া, ছনুয়া, পুঁইছড়ী, শেখেরখীল, চাম্বল, গণ্ডামারা, জলদী, সরল, সাধনপুর, পুকুরিয়া ও বৈলছড়ীর ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের একটাই দাবি—সাময়িক ত্রাণের পাশাপাশি যেন তাদের স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন ও বাড়িঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়।

সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি গৃহহারাদের জন্য ঘর নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন বলেন, সরকারিভাবে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য শুধু ত্রাণ দেওয়া নয়, দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামত ও সড়ক-কালভার্ট সংস্কার করে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্থায়ীভাবে পুনর্বাসনের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে এবং এ লক্ষ্যে কাজ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা তাঁর নির্দেশ মোতাবেক মাঠে কাজ করছি।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের প্রায় ৫৪টি ওয়ার্ড প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ১১ হাজার ১১০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন