রাজধানীর কাকরাইলের জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারীরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
আহতরা ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনার উভয়পক্ষ একে-অপরকে দোষারোপ করেছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছুটে গেছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে সেনা সদস্য মোতায়েন রয়েছে। কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও বিজয়নগরে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি বিক্ষোভ মিছিল যাওয়ার সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে বেঁধে যায়। এসময় উভয় পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এ সময় জাতীয় পার্টির অফিসের সামনে প্রায় ২০০ নেতাকর্মী ছিল। প্রায় ৩০ মিনিট এ সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরে পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানান, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গণঅধিকার পরিষদের মিছিলে অতর্কিত হামলা করেছে। আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলাম। আহত কর্মীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে দলটির যুব পার্টির নেতা সোহেল জানান, আমাদের নেতাকর্মীরা পার্টি অফিসের সামনে বসে ছিল। গণঅধিকারের মিছিল থেকে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রমনা থানার এসআই অরূপ তালুকদার সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। কাউকে আটক করা হয়নি।
তিনি আরো জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন




