শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১০টি অঞ্চলে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৫৯৯ কেন্দ্রে আজ রোববার থেকে ‘জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬’ শুরু হয়েছে। আগামী ১১ মে পর্যন্ত পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৫ লাখ শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ সকালে রাজধানীর কড়াইল এলাকায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সি প্রতিটি শিশুকে অবশ্যই এই টিকা দিতে হবে। তিনি জানান, প্রথমে দেশের ১৭টি উপজেলায় এবং পরে চারটি সিটি করপোরেশনে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২০ তারিখ থেকে সারা দেশে হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালকে একটি জেনারেল হাসপাতালে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে নগরবাসীকে আরো উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সি সব শিশুকে হাম-রুবেলা প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে ডিএনসিসি এলাকায় ৫৪টি স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র এবং ৫০২টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ৩৫টি ইভিনিং সেন্টার এবং আটটি ফ্রাইডে সেন্টারের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে মোট ৫৯৪ জন টিকাদানকর্মী, ৬৫০ জন ভলান্টিয়ার এবং ২০৩ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সকল অভিভাবককে তাদের ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে এনে টিকাদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের ইম্যুনাইজেশনের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স, বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. রাজেশ নারওয়াল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

