পাঁচ দাবিতে ‘বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্য পরিষদের’ বিক্ষোভ

পাঁচ দাবিতে ‘বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্য পরিষদের’ বিক্ষোভ

ঠিকাদারদের মাধ্যমে দৈনিক মজুরিভিত্তিক এবং প্রকল্পভিত্তিক কর্মীদের আউটসোর্সিং করার যে পদ্ধতি, এই পদ্ধতি হচ্ছে আধুনিক দাস ব্যবসা। তারা দাবি করছেন ঠিকাদারি প্রথা বাতিল করে চাকরির নিশ্চয়তা ও সরাসরি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের নিয়োগ দিতে হবে। বিনা কারণে অভিজ্ঞ কর্মীদের ছাঁটাই করা যাবে না এবং চুক্তির অযুহাত দেখিয়ে নতুন টেন্ডার করা যাবে না বলে জানান আউটসোর্সিং বক্তারা।

বিজ্ঞাপন

বুধবার সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন সরকারি আধাসরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করা আউটসোর্সিং কর্মীরা সমাবেশে যোগ দেন।

আউটসোর্সিং বক্তারা বলেন, একই সাথে কাজ করে সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত জনবল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন পেয়ে যায় অপরদিকে আমাদের বেতন ঠিকাদারের মাধ্যমে আসায় তারা মাসের পর মাস বেতন আটকে রাখে। আমাদের আটকে সব ধরনের বকেয়া বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে এবং প্রতিমাসের পাওনাদি পরবর্তী মাসের ৭ তারিখের মধ্যে পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে—যা প্রতিষ্ঠানের কাছে আদেশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বক্তারা আরো বলেন, অন্যায়ভাবে চাকরীচ্যুতদের পুনর্বহাল করতে হবে। নির্দিষ্ট কর্ম ঘণ্টার পর অতিরিক্ত কাজ করালে বাড়তি কাজের জন্য পারিশ্রমিক দিতে হবে। এসব বিষয় নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে বলে ও বক্তারা দাবি করেন ।

সমাবেশ থেকে বক্তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের দাবি সরকারকে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্য পরিষদের ৫ দফা দাবি হচ্ছে, আউটসোর্সিং দৈনিক মজুরি এবং প্রকল্প ভিত্তিক কর্মীদের ঠিকাদারি প্রথা বাতিল করে চাকরর নিশ্চয়তা প্রদান এবং সরাসরি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে যা নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। সকল বকেয়া বেতন দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে এবং বেতন-ভাতা প্রতিষ্ঠানের একই নিয়মে প্রতিমাসে পরিশোধ করতে হবে। অন্যায়ভাবে চাকরীচ্যুতদের পুনর্বহাল করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের অতিরিক্ত কাজ করালে বাড়তি পারিশ্রমিক প্রদানের জন্য নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন