রাজধানীর তুরাগে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নূরে আলম বাঘ (৪৭) ও রাসেল মাদব্বর ওরফে রাসেল ইসলাম জনি (২৫)।
বুধবার (৪ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তুরাগ থানা সূত্রে জানা যায়, তুরাগ থানাধীন ১৫নং সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে ভিকটিম রেজিনা মমতাজ (৫৯) তার স্বামীর সাথে বসবাস করতো। গত সোমবার রাতে তার স্বামী তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য বাসা হতে বাহিরে যায়। রাত পৌনে ৯টায় বাসায় ফিরে ভিকটিমের স্বামী দরজা খুলে দেখতে পান যে, ভিকটিমের হাত-পা কাপড় দ্বারা বাঁধা ও নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে এবং ঘরের মালামাল এলোমেলো। পরবর্তীতে দ্রুত তাকে ঢাকা স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাত ৮টা ১৮ মিনিট মুখোশধারী অজ্ঞাতনামা দুজন ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে ভিকটিমকে হাত-পা বেঁধে ও নাক-মুখে স্কচটেপ প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি স্বর্ণের নাকফুল নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় তুরাগ থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।
পরবর্তীতে তুরাগ থানা পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবারসন্ধ্যা ৬টায় ৩০ মিনিট অভিযান পরিচালনা করে নূরে আলমকে তুরাগ থানাধীন ১৫নং সেক্টর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যা ৭টায় উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১২নং সেক্টরের একটি অফিস থেকে লুণ্ঠিত এক জোড়া স্বর্ণের চুড়ি, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি পিতলের নাকফুল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত স্কচটেপ ও ভাঙা চশমা উদ্ধার করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট উত্তরা উত্তর মেট্রো স্টেশন এলাকা থেকে মো. রাসেল মাদব্বর ওরফে রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

