গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) এগ্রোনমি বিভাগের উদ্যোগে এবং সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া ও গ্রামীণ ইউগ্লেনার সহায়তায় "সয়াবিন গবেষণা" বিষয়ক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন সয়াবিন গবেষণার পথিকৃৎ ড. এম. আব্দুল করিম।
আলোচনায় উঠে আসে, বাংলাদেশে সয়াবিনের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৬ লাখ মেট্রিক টন, অথচ দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ৩-৪ লাখ মেট্রিক টন। বছরে ৫৬ হাজার কোটি টাকার সয়াবিন ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানি করতে হয়। চাষ বাড়াতে পারলে এ আমদানি কমিয়ে রপ্তানিমুখী করা সম্ভব।
উপাচার্য বলেন, প্রায় ৪০ শতাংশ প্রোটিনসমৃদ্ধ সয়াবিনের সহজলভ্যতা এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। এ খাতকে এগিয়ে নিতে তিনি জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত কনসোর্টিয়াম গঠনের আহ্বান জানান।
দ্বিতীয় পর্বে প্রফেসর ড. এম. এ মান্নান ভেজিটেবল সয়াবিনের উপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন এবং শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, গাকৃবির কৃষিতত্ত্ব বিভাগ এ পর্যন্ত ৬টি সয়াবিনের জাত উদ্ভাবন করেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


