জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে পূর্বাচলে প্লট আত্মসাতের অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের জামিনে আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন৷
দুদকের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আসামি পক্ষের আইনজীবীরা পৃথক দুই মামলায় তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে আমরা এর বিরোধিতা করি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করেন।
তার বিরুদ্ধে দুদকের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে এ মামলা দু'টি দায়ের করেন।
বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৫ কোটি ৩৯ লাখ ৬৬ হাজার ৮২০ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন বলে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে। যে কারণে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।
অপরদিকে, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের স্ত্রী কাশমিরি কামাল, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা, রাজউকের সদস্য (অর্থ) মো. আবু বক্কার সিকদার, সদস্য (উন্নয়ন) এম মাহবুবুল আলম, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদীন ভুঁইয়া, রাজউকের সাবেক সদস্য আব্দুল হাইকে আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করে দুদক।
প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর সহযোগিতায় রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে মূল বরাদ্দকৃত গ্রহীতার নামের একটি প্লট আত্মসাৎ করা হয়েছে অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


