ছুরিকাহত হয়েও ছাড়লেন না ছিনতাইকারীকে: ছুটে গেলেন আইজিপি

স্টাফ রিপোর্টার

ছুরিকাহত হয়েও ছাড়লেন না ছিনতাইকারীকে: ছুটে গেলেন আইজিপি

চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গ্রেফতার করলেন চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও কুখ্যাত ছিনতাইকারীকে। সাহসী এএসআই মো. মেসবাহ উদ্দিনকে দেখতে ছুটে যান পুলিশের আইজি শেখ বাহারুল আলম।

বিজ্ঞাপন

গ্রেফতার মোবারক হোসেন নাফিজ (২২) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভাটারা থানার ছিনতাই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।

ভাটারা থানার আহত এএসআইকে দেখতে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পুলিশ মহাপরিদর্শকের সাথে ছিলেন ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী। পুলিশ কর্মকর্তা মো. মেসবাহ উদ্দিনের বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বিপিএম (সাহসিকতা) পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দেন পুলিশ প্রধান।

জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় ভাটারা এলাকার ওয়ারেন্টভুক্ত চিহ্নিত চাঁদাবাজ মো. মোবারক হোসেন নাফিজ তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে ভাটারা থানাধীন জে-ব্লক বারিধারা রোড নং ১/এ ফুটপাতের বিভিন্ন দোকান থেকে ভয় দেখিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটারা থানার এএসআই মেসবাহসহ থানার টহল দল দ্রুত সেখানে পৌঁছায়। চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের চেষ্টাকালে ছিনতাইকারী নাফিজ এএসআই মেসবাহকে চাকু ও হাতে থাকা স্টিলের কাটা চামচ দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তিনি বাম চোখে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালনে অনড় থেকে তিনি চাঁদাবাজ নাফিজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। এসময় নাফিজের সহযোগী ৪/৫ জন পালিয়ে যায়। গ্রেফতারের সময় নাফিজের কাছ থেকে একটি সুইচ গিয়ার চাকু, একটি স্টিলের রক্তমাখা কাটা চামচ, বিভিন্ন দোকান থেকে চাঁদাবাজির টাকা উদ্ধার করা হয়।

আহত এএসআই মো. মেসবাহ উদ্দিনকে প্রথমে বারিধারার স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্যে নেয়া হয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে পুলিশ প্রধান এএসআইয়ের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এছাড়া ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এএসআই মো. মেসবাহ উদ্দিনের সাহসিকতাপূর্ণ কাজের প্রশংসা করে তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার দেন।

এমএস

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন