৪ আসনের ব্যালট পেপার-রেজাল্ট শিটসহ সব নথি হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

৪ আসনের ব্যালট পেপার-রেজাল্ট শিটসহ সব নথি হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

ঢাকার দুটি এবং ঢাকার বাইরের দুটিসহ মোট ৪টি আসনের ব্যালট পেপার রেজাল্ট শিটসহ সব নথি হাইকোর্টের হেফাজতে নেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মাঝে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ঢাকা-৬ আসনও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের পক্ষ হতে শুনানির পর ৩টি আসন এবং বিএনপির এক প্রাথীর আবেদনের প্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেয়। আসনগুলো হলো:  ঢাকা-৬, ৭, গাইবান্ধা-৪ এবং শেরপুর-১ আসন। এর মাঝে শেরপুর-১ আসনটি নিয়ে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী আবেদনটি করেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির আমার দেশকে বলেন, আমরা হাইকোর্টে নিবাচনি ট্রাইব্যুনালকে বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ দেখিয়েছি। তারমধ্যে একটি হচ্ছে ফলাফল শিট। এই ফলাফল শিটে দেখা যাচ্ছে শিটের নিচে পোলিং এজেন্টের নাম, কোন ইলেকশন কমিশনের সিম্বল নাই। আবার আরেকটিতে অন্য রকম রয়েছে। তার মানে ফলাফল শিট দুই রকম করা হয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় জিনিসটা যেটা ছিল সেটি হলো পেনসিল দিয়ে ফলাফল শিটে লেখা। সেগুলোতে লেখা আছে বৈধ ভোট। মোট বৈধ ভোটের ওখানে সব জিরো আছে। মোট বৈধ ভোটের এখানে সব জিরো আছে। তারপরে আপনি পাবেন হচ্ছে যে একাধিক জায়গায় পেনসিল দিয়ে লেখা। এসব শিটে লেখা থাকার কথা সেন্টার নাম্বার। সেই গুলোতে সেন্টারের নামই লেখা নেই। এই লেখাটা থাকার কথা হচ্ছে  ছাপানো অক্ষরে। ‍

এসব নানা জালিয়াতি এবং অনিয়ম দেখে আদালত সন্তুষ্ট হয়েছেন। সাথে সাথে নির্দেশনা দিয়েছেন যতগুলো ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট যা যা আছে সেগুলো সব কোর্টের কাস্টডিতে উনারা নিয়ে নেবেন আলাদা করে রেখে দেবেন। এবং পরবর্তী ডেট ধার্য করছেন হচ্ছে মার্চের তিন তারিখে এবং ১০ তারিখে। ব্যারিস্টার শাহরিয়ার বলেন, এ তিনটি আসনেই ভোটের ব্যবধান পাঁচ হাজারের মধ্যে। এছাড়া এসব আসনের পোস্টাল ভোটের অনেকগুলোই গণনা করা হয়নি। এরকম পোস্টাল ভোট ছয় সাত হাজার পোস্টাল ভোট আছে যেগুলোকে বাতিল দেখানো হয়েছে।

তিনি জানান, এ তিনটি আসন নিয়ে আমাদের শুনানি শুরু হলো, বাকী সব মিলিয়ে মোট ত্রিশটি আসন সংক্রান্ত জালিয়াতি নিয়ে ধাপে ধাপে প্রমাণসহ শুনানি করা হবে।

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে ‘নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হয়। এরপর একই দিন এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন