‘রাকসুতে অযোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক ব্যর্থতা’

‘রাকসুতে অযোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক ব্যর্থতা’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন দীর্ঘ ৩৫ বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই নির্বাচন নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে নারীদের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। ভোট দিতে এসে এক শিক্ষার্থী বলেছেন, অযোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের অর্থ হবে আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ছাত্রীদের ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। এ বিষয়ে নারী ভোটাররা আমার দেশকে জানান, বিকেলে বা দুপুরের পর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় তারা সবাই সকালে ভোট দিতে এসেছেন।

বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে দুপুরের পরই বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে দেখেছি। অপরদিকে ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনেও দুপুরের পর বিভিন্ন প্যানেলের পক্ষ থেকে নির্বাচন বয়কট ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। এসব কারণেই নারী ভোটাররা নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সকাল সকাল ভোট দিতে চলে এসেছেন।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী খুরশিদ জাহান মুন্নী আমার দেশকে বলেন, ‘জীবনে প্রথম ভোট দিচ্ছি। মনের উচ্ছ্বাস আসলে ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিনিধি নির্বাচন হচ্ছে। আমরা যদি যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারি, তাহলেই আমাদের সফলতা। আর যদি অযোগ্য কেউ নির্বাচিত হয় আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে, তাহলে বলব এটা আমাদের শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক ব্যর্থতা। আশা করছি যারাই নির্বাচিত হোক, শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করবে।

আইবিএর মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান আমার দেশকে বলেন, ‘আমার কাছে অনুভূতিটা খুবই ভালো। ৩৫ বছর পর নির্বাচন হচ্ছে। যারাই ভোটে নির্বাচিত হোক না কেন, ইশতেহারগুলো যেন পূরণ করে। তাদের নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি যেন পালন করে ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন