নীলফামারীর ডোমার উপজেলার মির্জাগঞ্জ বি.এল. উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন নিয়ে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের একই স্মারক নম্বর ও একই তারিখে ইস্যু করা দুটি আলাদা চিঠিতে দুইজনকে সভাপতি হিসেবে দেখানো হয়েছে।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর আমিনুল হকের সই করা একটি চিঠিতে সভাপতি হিসেবে আকতারুজ্জামান লিখনের নাম রয়েছে। অথচ হুবহু একই স্মারক ও একই তারিখের আরেকটি চিঠিতে সভাপতি পদে তমিজ উদ্দিন সরকারের নাম লেখা রয়েছে।
পূর্বের সভাপতি হিসেবে তমিজ উদ্দিন সরকার ব্যাংক হিসাব পরিবর্তনসহ কমিটির কার্যক্রম শুরু করার এক মাস পর, নতুন সভাপতি হিসেবে আখতারুজ্জামান লিখনের নামে চিঠি ইস্যু করা হয়। দুটি চিঠিতেই একই স্মারক নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাকি তিন সদস্যের নামও একই রয়েছে। কেবল সভাপতির নাম বদলে যাওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত সঠিক তথ্য প্রকাশের জন্য শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল কাদের জানান, ‘আমরা তিনজনের নাম বোর্ডে পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তমিজ উদ্দিনকে সভাপতি হিসেবে এবং এর এক মাস পরে আখতারুজ্জামানকে সভাপতি করে চিঠি পেয়েছি।’
এ বিষয়ে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইলিয়াস আহমেদ জানান, ‘দুইজন সভাপতি নিয়োগের নেপথ্যে কোনো একটি ঘটনা তো রয়েছে, যা আপনাদের বলা যাবে না।’ এর বেশি তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

