তারেক রহমানকে জঙ্গীবাদের গডফাদার বলা সেই শিক্ষকের পদোন্নতি

খুলনা ব্যুরো

তারেক রহমানকে জঙ্গীবাদের গডফাদার বলা সেই শিক্ষকের পদোন্নতি

তারেক রহমানকে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের গডফাদার অভিহিত করে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবি জানিয়েছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা বাছির আহমেদ। এ দাবি সম্বলিত ব্যানার হাতে মিছিলে অংশগ্রহণের ছবি এখনও রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ছাত্রলীগ কোটায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশ হেলথ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক হিসেবে চাকরি পেয়ে স্থাপন করেন দলীয় আনুগত্যের নজির। চব্বিশের জুলাই অভ্যূত্থান চলাকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বিরত রাখতে প্রধানতম উদ্যোগী ছিলেন তিনি। এমনকি আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সমর্থনকারী শিক্ষকদের তালিকা আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে পৌঁছে দিতেন।

বিজ্ঞাপন

খুকৃবির বিতর্কিত এ শিক্ষককে এবার প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অফিসে বাছাই কমিটি কর্তৃক আয়োজিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের চিঠি পেয়েছেন তিনি। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বলে ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে।

বিক্ষুব্ধদের দাবি, খুকৃবির শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রি বাধ্যতামূলক হলেও বাছির আহমেদ ফিশ হেলথ ম্যানেজমেন্টে (টেকনিক্যাল সাবজেক্ট) মাস্টার্স করে ওশানোগ্রাফি (নন-টেকনিক্যাল সাবজেক্ট) বিভাগে যোগদান করেন। পরবর্তীতে অবৈধ নিয়োগকে বৈধ করার জন্য সাবেক রেজিস্ট্রার খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার (শাহজাহান) এর সহযোগিতায় (টেকনিক্যাল সাবজেক্ট) ফিস হেলথ ম্যানেজমেন্ট বিভাগে স্থানান্তরিত হন। যেখানে বেতন তারতম্য স্পষ্ট বিদ্যমান।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে বাছির আহমেদের মোবাইল ফোনে এবং হোটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সেট অফ করে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল ইসলাম জানান, নিয়োগ পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ে আমি শুধু প্রশাসনিক কাজটুকু করি। প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা, অভিযোগ এসব দেখার বিষয় কমিটির। ভিসি স্যারের নির্দেশে আমি চিঠি ইস্যু করেছি।

এএস

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন