ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) রাতের আঁধারে পোস্টারিং কার্যক্রম চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পোস্টারিংয়ের কয়েকটি ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করার পর বিষয়টি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন, ঝাল চত্বর, রবীন্দ্র নজরুল কলা ভবন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং সাইন্স ফ্যাকাল্টির গেটে এসব পোস্টার ও ব্যানার টাঙাচ্ছেন ইবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাসুদ রানা এবং রতন রায় । তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর সরেজমিনে ক্যাম্পাসের অধিকাংশ জায়গার পোস্টার দেখা যায়নি।
পরে এসব ছবি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরে ক্ষোভ জানিয়েছেন ইবির ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ইবি ছাত্রশক্তির আহবায়ক ফুয়াদ হাসান লিখেছেন, রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ সংগঠন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। রাতের আঁধারে খুন করে লাশ পুকুরে ভাসানো হয় আর প্রক্টরিয়াল বডি নাকে তেল দিয়ে ঘুমায়। এর জবাব বর্তমান ইবি প্রশাসনকে দিতে হবে।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ইসমাইল হোসেন রাহাত লিখেছেন, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ!
ইবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ভাইবোনদের রক্তের দাগ এখনো শুকায় নাই। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের শিক্ষার্থীদের উপর যে নির্যাতন নিপীড়ন করেছে তার ক্ষত এখনো রয়ে গেছে। এরমধ্যেই ক্যাম্পাসে তাদের অপতৎপরতা কোনমতেই মেনে নেওয়া হবে না। শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত এই নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের অপতৎপরতা রুখে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান আমার দেশকে বলেন, রাত তিনটার দিকে ঘটনার ঘটার সাথেই আমি সিকিউরিটি পাঠিয়ে সব নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি। তারা কীভাবে গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকলো সেটা নিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা হচ্ছে। রাতেই ইবি থানার ওসির সাথে কথা হয়েছে এবং তাদের হাতে সব হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক ও কঠোর অবস্থানে আছে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

