দৌলতখানে নার্সের টানাহেঁচড়ায় নবজাতকের মৃত্যু

দৌলতখানে নার্সের টানাহেঁচড়ায় নবজাতকের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ভোলার দৌলতখান উপজেলা হাসপাতালে টানাহেঁচড়া করে নরমাল প্রসব করানোর সময় নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স নুসরাতের বিরুদ্ধে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ তুলেন প্রসূতির স্বজনরা। তারা হাসপাতালে ব্যাপক হৈ-হুল্লোড় সৃষ্টি করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

বিজ্ঞাপন

রোববার রাতে দৌলতখান উপজেলা হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রোগীর প্রসবের ব্যথা থাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিন সপ্তাহের আগের আল্ট্রার রিপোর্ট দেখে প্রসব করার সময় নবজাতকের গলায় কট (নাড়ি) পেচিয়ে ছিল। এ সময় নার্স প্রসব করানোর চেষ্টা করায় নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয়। তবে তিনি জানান, প্রসবকালীন সময় আল্ট্রা করা গেলে নবজাতকের অবস্থা সম্পর্কে জানা যেত।

জানা যায়, রোববার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের বসরুদ্দি বাড়ির রুবেলের স্ত্রী তানজিলা বেগমের প্রসবব্যথা উঠলে তাকে ভর্তি করা হয়। পরিবারের দাবি, জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলট্রাসনোগ্রাম না করেই সিনিয়র স্টাফ নার্স নুসরাতের কাছে পাঠালে সে প্রসব করানোর চেষ্টা করানোর কারণে নবজাতকের মৃত্যু হয়।

প্রসূতির দেবর মো. ইমন বলেন, প্রসবের একপর্যায়ে নবজাতকের শরীরের কিছু অংশ বের হলেও বাকি অংশ বের হচ্ছিল না। পরে টানাহেঁচড়া করে বের করার পরপরই শিশুটির মৃত্যু হয়। তার অভিযোগ, রোগীর শারীরিক অবস্থা যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই প্রসবকক্ষে পাঠানো হয়েছিল।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইমতিয়াজ বলেন, প্রসূতি তানজিলা বেগমের কাছে তিন-চার সপ্তাহ আগের একটি আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট ছিল। সে কারণে তিনি নতুন করে আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা দেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান বলেন, নবজাতক শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএইচ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...