ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশার বিস্তার রোধ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদল।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের সঞ্চালনায় উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই সময় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে শাখা ছাত্রদল।

এসময় ছাত্রদল জাবি শাখার আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, 'বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে জনবলের ঘাটতি থাকলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহযোগিতা করবেন।

একই সঙ্গে প্রশাসনকে এ বিষয়ে আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'গত দুই মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে ভবিষ্যতে লিফলেট বিতরণসহ এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ছাত্রদল।’

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনকালে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, 'পরিচ্ছন্নতার প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্বের দিক থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি প্রাণ-প্রকৃতির এক অভয়ারণ্য। এখানে কেবল মানুষই নয়, ভিন্ন আদর্শের মানুষের পাশাপাশি সকল প্রজাতি একসঙ্গে সহাবস্থান করে। তাই এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রাণ-প্রকৃতির কোনো ক্ষতি না হয়।'

তিনি আরও বলেন,'​বিশ্ববিদ্যালয়ে মশা বিশেষজ্ঞ, কীটপতঙ্গ বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা রয়েছেন। তাঁদের সহযোগিতা নিয়ে ছাত্রদলের এই সুন্দর প্রয়াসকে কার্যকর করতে প্রশাসন পাশে থাকবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই মাসব্যাপী কার্যক্রম মূলত একটি বড় ধরনের অনুপ্রেরণা, যা সকলকে সারাজীবন পরিচ্ছন্ন থাকার এবং নিজের ক্যাম্পাসকে সর্বদা পরিষ্কার রাখার বার্তা দেয়। শিক্ষার্থীদের এই অংশগ্রহণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জনবল সংকট কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হবে এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানে যারা উৎসুক নন, তাঁদেরকেও অনুপ্রাণিত করবে।’

'​সবাইকে সচেতন হতে হবে যাতে নিজ হাতে থাকা ময়লা রাস্তায় না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ব্যবহৃত টিস্যু রাস্তায় না ফেলে পকেটে রাখেন এবং ফেলার উপযুক্ত জায়গা পেলে সেখানে ফেলেন, তা একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সবাই একইভাবে সচেতন হলে অন্তত ২০ কোটি টিস্যু রাস্তায় ফেলা বন্ধ হবে' বলেও যোগ করেন উপাচার্য কামরুল আহসান।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন