লামিন ইয়ামালের অফ-ফর্ম নিয়ে ফুটবলপাড়ায় যে সামান্য সংশয় তৈরি হয়েছিল, হান্সি ফ্লিকের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে মাঠেই তার জবাব দিলেন এই তরুণ তারকা। ইয়ামাল ও ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রাফিনহার দারুণ পারফরম্যান্সে রায়ো ভায়েকানোকে ৫–২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে বার্সেলোনা।
ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে অবশ্য ম্যাচের শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খায় কাতালান ক্লাবটি। জয়খরায় থাকা রায়ো ভায়েকানো ম্যাচের ১২ মিনিটে সার্জিও কামেলোর দারুণ এক গোলে স্তব্ধ করে দেয় বার্সেলোনার গ্যালারি। এই মৌসুমে এটিই ছিল বার্সেলোনার হজম করা প্রথম গোল।
তবে পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধে বেশি সময় নেয়নি ফ্লিকের দল। ১৯ মিনিটে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান রাফিনহা। বক্সের ভেতরে ঢুকে চমৎকার এক নিচু শটে জালে বল জড়ান এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। এর ঠিক দুই মিনিট পর (২১ মিনিটে) বক্সে ঢুকে উঁচু শটে মৌসুমের প্রথম গোল করে বার্সাকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন স্প্যানিশ তরুণ লামিন ইয়ামাল। প্রথমার্ধে এই ব্যবধান ধরে রেখেই বিরতিতে যায় বার্সা।
দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে (৫১ মিনিট) ভাগ্য হাত বাড়ায় বার্সেলোনার দিকে। রায়োর রক্ষণভাগের খেলোয়াড় লেজেউন নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দিলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩–১। যদিও রায়ো ভায়েকানো লড়াই ছাড়েনি। ম্যাচের কিছুক্ষণ পর উনাই লোপেজের কর্নার থেকে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করে রায়োকে ৩–২ ব্যবধানে ম্যাচে ফেরান কামেলো।
ম্যাচ জমে উঠলেও বার্সার আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় অতিথিদের। ফার্মিন লোপেজের চমৎকার এক ব্যাকহিল থেকে বল পেয়ে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রাফিনহা (৪–২)। আর ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে ইয়ামাল নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করলে ৫–২ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।
এ জয়ে লা লিগায় ৩ ম্যাচের সবকটিতে জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে টেবিলের শীর্ষস্থানে উঠে এলো বার্সেলোনা। একই সঙ্গে লিগের প্রথম তিন ম্যাচেই ১২টি গোল করার দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফর্ম ধরে রাখল হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

