জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার আসামিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আশ্বস্ত করে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে দেশব্যাপী তাদের বিশেষ অভিযান জোরালোভাবে অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১২ মে ক্যাম্পাসে সংঘটিত ওই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর থেকেই অপরাধীকে ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। সর্বশেষ অগ্রগতি হিসেবে রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর চিরুনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো আসামিকে দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনতে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিয়মিত অবহিত করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত গৃহীত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ১৬ মে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সহায়তার জন্য ছবিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে জেলা পুলিশ, র্যাব, ডিবি, পিবিআই, সিআইডি এবং ডিএমপি টিমসহ বিভিন্ন বাহিনী তথ্যপ্রযুক্তির পাশাপাশি ম্যানুয়ালি দেশজুড়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ঘটনার দিন আসামি কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার না করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাইবার টিম ও র্যাব ইন্টেলিজেন্স উইং তাদের প্রযুক্তিগত তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, খুব দ্রুতই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান এবং সহকারী প্রক্টরবৃন্দ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

