নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পৃথক ঘটনায় এক গৃহবধূ, এক শিশু ও এক ব্র্যাককর্মীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে সুবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী (পিএ) দাউদুল অফিসের পাশের একটি কক্ষে থাকতেন। সোমবার রাতে তিনি ব্র্যাকের ম্যানেজারকে জানান, তার শরীর ভালো লাগছে না। তাই তিনি অফিসের ওপরের গেস্টরুমে রাতে থাকবেন। পরে গেস্টরুমের চাবি নিয়ে তিনি সেখানে ঘুমাতে যান। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে অফিসের পিয়ন চাবির জন্য গেস্টরুমে গেলে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।
দাউদুল ফেনী সদর উপজেলার এহিয়াগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি সুবর্ণচরের চরজব্বার ইউনিয়নে ব্র্যাকের কাঞ্চন বাজার শাখায় কর্মসূচি সহকারী (পিএ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অন্যদিকে, চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের রিপনের স্ত্রী তামান্না আক্তার (২৩) বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে লাশ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হলে খবর পেয়ে পুলিশ সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে।
অপরদিকে, চরআমানউল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে হামিম (৩) বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যান।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

