বিদায়ী বছরের একদম শেষ দিকে এক আড্ডায় বসেছিলেন আবুল হায়াত, রোজী সিদ্দিকী, সাবেরী আলম, মৌসুমি নাগ, আরশ খান, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সোহেল মণ্ডল, ফারিহা রহমান। দেশের জনপ্রিয় নবীন–প্রবীণ শিল্পীদের মধ্যে সূত্রধরের কাজ করছিলেন ইনফ্লুয়েন্সার–লেখক–কণ্ঠশিল্পী রাবা খান। যদিও তা ছিল একটা নাটকের শ্যুটিং, কিন্তু আবুল হায়াতের মতে সেটি ছিল ফ্যামিলি আড্ডা।
সেই আড্ডায় নবীন–প্রবীণদের কার চ্যালেঞ্জ কেমন ছিল? রাবার এমন প্রশ্নে আবুল হায়াত বলে ওঠেন, ‘অভিনয় করাটাই চ্যালেঞ্জিং। যেকোনো চরিত্রে অভিনয় করাটাই কঠিন। আর নতুনদের সঙ্গে কাজ করাটা আরও কঠিন কারণ ওরা আমাদের চেয়ে অনেক ভালো অভিনয় করে।’
রোজী সিদ্দিকী বলেন, ‘অনেকদিন পর আমরা কিছু পুরোনো মানুষ একসঙ্গে হতে পেরেছি। এত হাসাহাসি করেছি যে নির্মাতা বলতে বাধ্য হয়েছে যে, আপনারা প্লিজ হাসি থামান, আমাকে সিনটা করতে দেন। ছোটোদের সঙ্গেই মজা করেছি। ওরা (ছোটরা) বুঝতে পেরেছে, বড়রা কী পরিমাণ ফানি হতে পারে।’
মজার ঘটনা বলতে গিয়ে সাবেরী আলম বলেন, ‘একটা সিনে তুষার ভাই (তুষার খান) মনে করেছেন আমি তার স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছি। কিন্তু আমি অভিনয় করছিলাম তার তার বড় ভাইয়ের স্ত্রীর চরিত্রে। সিনটা ছিল ইমোশনাল, কিন্তু ভুল করার কারণে খুব মজা হয়েছিল।’ সাবেরী আলমের সঙ্গে যোগ করেন আবুল হায়াত, বলেন, ‘নাটকে তো আসেল তুষার স্ত্রী পায় না। এখানে (আঁতকা) স্ত্রী পেয়ে কনফিউজড হয়ে গেছে।’
আরশ খানের উত্তর, ‘আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল, দাদার সঙ্গে (আবুল হায়াত) প্রথম দৃশ্যটা। সবসময় তাকে টিভিতে দেখেছি, আবুল হায়াত আমার কাছে ‘দ্য আবুল হায়াত’। সিনটা করব কীভাবে, এটা ভেবে আগের রাতে জ্বর চলে এসেছিল। ‘এ কথা শুনে আবুল হায়াতের মন্তব্য, ‘আগে বলবা না, আমার কাছে প্যারাসিটামল তো ছিলই।’
‘আঁতকা’–এর শুটিং করতে গিয়ে অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামালের ব্যাপারে অভিনেতা আরশ খানের নতুন একটা উপলব্ধি হয়েছে। সেটা জানিয়ে আরশ খান বলেন, ‘সুনেরাহ–এর সঙ্গে তো আমার প্রায়ই কাজ হয়। শান্ত, ভালোবাসার মানুষ– এমন চরিত্রেই সাধারণত কাজ হয় আমাদের। কিন্তু এই শুটিংয়ে গিয়ে বুঝলাম সে খুব পোংটা বা এরকম চরিত্রে অভিনয় করতে পারে, সেটা খুব মজা লেগেছে।’
আরশকে নিয়ে সুনেরাহর মন্তব্য এমন, ‘আরশ সেটে গিয়ে সবকিছু ভুলে শুধু অ্যাকটিংটা করতে পারে, এটা জানতাম না। কারণ সাধারণত সে সব কিছুতে নাক গলায়।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

